কক্সবাজার প্রতিনিধি;
পুরো রমজানজুড়ে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ছিল পর্যটকশূন্য। পর্যটক না আসায় এই এক মাস বেচাকেনা ছিল একপ্রকার বন্ধ। অলস সময় কাটিয়েছেন আবাসিক হোটেলের কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং সৈকতনির্ভর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।
রোজা শেষে আগামীকাল ঈদুল ফিতর উদযাপন করবে বাংলাদেশ। ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে ৬-৭ লাখ পর্যটকের আগমনের আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার বাণিজ্য হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পর্যটন ব্যবসায়ীদের মতে, এবার ঈদে ৯ দিনের ছুটি থাকায় ৩১ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত পর্যটকদের ভিড় থাকবে কক্সবাজারে। ইতোমধ্যে সাড়ে ৫ শতাধিক আবাসিক হোটেল, মোটেল, গেস্ট হাউস ও রিসোর্টের কক্ষ আগাম বুকিং হয়ে গেছে।
পর্যটকদের জন্য হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ থেকে শুরু করে বার্মিজ পণ্যের দোকান—সবখানে মেরামত ও সাজসজ্জার কাজ শেষ হয়েছে। সৈকতের ব্যবসায়ীরাও নতুন পণ্য মজুত ও দোকান সাজানোর কাজ করছেন।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও পর্যটক হয়রানি ঠেকাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।
কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরী জানিয়েছেন, ঈদের ছুটিতে পর্যটন-সংশ্লিষ্ট ১৩টি খাতে অন্তত ৮০০ কোটি টাকার ব্যবসা হতে পারে।